বন অধিদপ্তর গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ১৯ জানুয়ারি ২০১৭

বৃক্ষ ও বন জরিপ ২০১৬, বাংলাদেশ

 

পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বৃক্ষ তথা বনের গুরুত্ব অপরিসীম। তাছাড়াও বন মানুষের দৈনন্দিন জীবনের অনেক চাহিদা পূরণ করার জন্য অপরিহার্য। বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় বন সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার বনজ সম্পদের সুরক্ষা, সর্বোত্তম ব্যবহার সুনিশ্চিত, বনের আচ্ছাদন বৃদ্ধি এবং বন মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে দেশব্যাপী সরকারি বন ও বন বহির্ভূত বৃক্ষ (গ্রামীণ বন) জরিপের কার্যক্রম গ্রহণ করেছে। পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের বন অধিদপ্তরের এ কার্যক্রম বাস্তবায়নে সহযোগিতায় রয়েছে প্রশাসন, স্থানীয় সরকার, জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO), ইউ এস এ আই ডি(USAID) এবং সিলভাকার্বন। এ কার্যক্রমের কয়েকটি বিশেষ দিক হলঃ

 

     ১। এ কার্যক্রম “বৃক্ষ ও বন জরিপ ২০১৬, বাংলাদেশ” নামে পরিচিত।

২। দেশের সরকারি বন ও গ্রামীন বন তথা দেশে সার্বিকভাবে বৃক্ষ সম্পদের পরিমাণ নিরূপণের জন্য সারা দেশে প্রায় ১,৮৫৮ স্থানে (স্যাম্পল প্লট)নভেম্বর ২০১৬ হতে মার্চ ২০১৮ পর্যন্ত এ জরিপ কাজ চলবে।

৩। জরিপ স্থান (স্যাম্পল প্লট) অনেক ক্ষেত্রে কৃষিজমি, বসতি, ব্যক্তিগত ভূমি বা প্রতিষ্ঠান এলাকায় হতে পারে, সংশ্লিষ্ঠ ক্ষেত্রে মালিক বা কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা একান্তভাবে কাম্য। এ জরিপ কার্যক্রম কোনভাবেই ভূমি অধিগ্রহণ বা ভূমির নিয়ন্ত্রণ নেয়ার জন্য নয়।

৪। বন ও গ্রামীন বন এলাকার বনজ সম্পদ, বনের পরিমাণ, বনের আচ্ছাদন, গাছের প্রজাতি, কাঠ ও জ্বালানি কাঠের পরিমাণ, গাছের ও মাটির নিচের কার্বনের পরিমান  এবং বন হতে প্রাপ্ত সুবিধাদি নিরূপণের উদ্দেশ্যে সারা দেশব্যাপী এই জরিপ পরিচালিত হচ্ছে।

 

সর্বোপরি এই জরিপ, দেশের সরকারি বন ও গ্রামীণ বনের উন্নয়ন, ব্যক্তি বা প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ের বৃক্ষরোপণ উদ্যোগকে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় সঠিকভাবে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব  মোকাবেলায় জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ভাবে কি ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন তার দিকনির্দেশনা দিবে।


Share with :