বন অধিদপ্তর গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ২৫ জানুয়ারি ২০১৭

বাঘ সংরক্ষণে ঢাকা ঘোষণা


প্রকাশন তারিখ : 2014-09-17

 

বাঘ রক্ষায় বৈশ্বিক উদ্যোগের অগ্রগতি পর্যালোচনাবিষয়ক দিন ব্যাপি সম্মেলন গত ১৪ সেপ্টেম্বর উদ্বোধন করেছিলেন বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাছিনা। রাজধানীর একটি হোটেলে বিশ্বব্যাংক, গ্লোবাল টাইগার ইনিশিয়েটিভ এবং গ্লোবাল টাইগার ফোরামের সহায়তায় বন বিভাগ এই সম্মেলনের আয়োজন করেছে। গতকাল ১৬ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার এই সম্মেলন দফা ঢাকা ঘোষনার মাধ্যমে  সমাপ্ত হয়। এর আগে ২০১০ সালে রাশিয়ায় অনুষ্ঠিত হয় প্রথম সম্মেলন। ওই সম্মেলনে ২০২২ সালের মধ্যে বিশ্বে বাঘের সংখ্যা দ্বিগুণ করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। এই লক্ষ্যমাত্রার অগ্রগতি বুঝতেই ১৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তিন দিনের এই সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে। বিশ্বের ১৩টি দেশের ১৫০ জন বাঘ বিশেষজ্ঞ এবং পরিবেশবিদ এতে যোগ দিয়েছিলেন। বাঘের বসতি আছে এমন এলাকার পাশে শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও ভারী অবকাঠামো নির্মাণ না করার অঙ্গীকারসহ নয় দফা ঢাকা ঘোষণা করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার গ্লোবাল টাইগার ইনিশিয়েটিভের (জিটিআই) দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক সম্মেলনে এই ঘোষণা দেওয়া হয়। 

 

ঘোষণায় বাঘের অস্তিত্ব রক্ষায় অবকাঠামো বাড়ানো, বাঘের বসতির নিরাপত্তা, স্থানীয় জনগোষ্ঠীকে বাঘ রক্ষায় যুক্ত করা, বাঘ আছে এমন দেশগুলোর সঙ্গে আন্তর্জাতিক ও দ্বিপক্ষীয় উদ্যোগ বাড়ানো, বাঘের বসতি এলাকায় বনায়ন, বাঘ রক্ষায় প্রয়োজনীয় তহবিল বরাদ্দ, ব্যবসায়ী ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোকে বাঘ রক্ষায় যুক্ত করা, সচেতনতা তৈরি, বাঘ রক্ষায় তদারকি বাড়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণের কথা বলা হয়েছে।

 

বাঘ রক্ষায় শুরু হলো ‘বাঘ’ প্রকল্প: সুন্দরবনে বর্তমানে যে কয়টি বাঘ আছে, তাদের চোরা শিকারিদের হাত থেকে রক্ষায় যাত্রা শুরু করেছে বেঙ্গল টাইগার কনজারভেশন অ্যাক্টিভিটি বা ‘বাঘ’ প্রকল্প। যুক্তরাষ্ট্র সরকারের বিদেশবিষয়ক উন্নয়ন সংস্থা ইউএসএআইডির সহায়তায় বন্য প্রাণী সংরক্ষণবিষয়ক সংস্থা ওয়াইল্ড টিম এবং বন অধিদপ্তর প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে। এ প্রকল্পে সহযোগিতা করবে বাংলাদেশ সেন্টার ফর অ্যাডভান্স স্টাডিজ (বিসিএএস) এবং আন্তর্জাতিক সংস্থা স্মিথসোনিয়ন ইনস্টিটিউশন। 

 

 

 

 

 

 


Share with :