বন অধিদপ্তর গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ১৬ এপ্রিল ২০১৮

বাংলাদেশের বন কার্বন নিঃসরণের এবং অপসারণের (FRL) প্রাথমিক মাপকাঠি নির্ধারিত


প্রকাশন তারিখ : 2018-04-12

 

                            

 

 

ঢাকা, ১১ এপ্রিল ২০১৮ (বুধবার): বন উজাড় ও বন অবক্ষয়ের কারণে কার্বন নিঃসরণ ও অপসারণের পরিমাণ নির্ণয়ের মাপকাঠি (Forest Reference Level-FRL)তৈরী করা হয়েছে। এ বিষয়ে সরকারের নীতি নির্ধারক সহ সংশ্লিষ্ট সকল অংশীজনের মতামত গ্রহণের জন্য আজ রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে এক জাতীয় কর্মশালার আয়োজন করা হয়।

 

জাতিসংঘের উন্নয়ন সংস্থা (UNDP) এবং খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO) এর কারিগরি সহায়তায় UN-REDD বাংলাদেশ জাতীয় কর্মসূচির সহায়তায় বাংলাদেশ বন অধিদপ্তর কার্বন নিঃসরণ এবং অপসারণের এই মাপকাঠি নিরুপন করেছে। মূলত জাতীয় কর্মশালায় প্রাপ্ত মতামতের উপর ভিত্তি করে প্রতিবেদনটিকে অধিকতর সমৃদ্ধ করার মাধ্যমে তা ২০১৮ সালের শেষ নাগাদ চুড়ান্ত প্রতিবেদন হিসেবে UNFCCC তে পাঠানো হবে।

 

কর্মশালায় পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে কার্বন নিঃসরণ অথবা অপসারণ মাত্রা সম্বন্ধীয় তথ্য উপস্থাপন করেন জনাব মারুফা আক্তার, বন সংরক্ষক, ঢাকা সামাজিক বন অঞ্চল । এই কার্যক্রমের লক্ষ্য, উদ্দেশ্য এবং প্রত্যাশা সম্বন্ধে বলেন জনাব মোঃ রকিবুল হাসান মুকুল, বন সংরক্ষক, কেন্দ্রীয় অঞ্চল, ঢাকা, এবং জাতীয় প্রকল্প পরিচালক, UN-REDD বাংলাদেশ জাতীয় কর্মসূচি। 

 

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জনাব জনাব আবদুল্লাহ আল মোহসীন চৌধুরী, ভারপ্রাপ্ত সচিব, পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয় বলেন “প্রস্তুতকৃত FRL প্রতিবেদনে উল্লেখিত তথ্য উপাত্তের উপর ভিত্তি করে বন উজাড় ও বন অবক্ষয়ের পরিমাণ হ্রাসকরণের লক্ষ্যে REDD+বাস্তবায়নে কর্মকৌশল নির্ধারণ করা হবে।”

 

কর্মশালায় সভাপতির বক্তব্যে জনাব মোহাম্মদ সফিউল আলম চৌধুরী, প্রধান বন সংরক্ষক, বন অধিদপ্তর বলেন “ FRL এর ভিত্তিতে সকল অংশীজনকে নিয়ে জাতীয় কর্ম-কৌশলটি প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন হলে বন উজাড় ও বন অবক্ষয়ের পরিমাণ কমে যাবে অনেকাংশে।”

 

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ড. নুরুল কাদির, অতিরিক্ত সচিব, পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয় বলেন “ আজ আমরা বায়ুমন্ডলে কি পরিমাণ কার্বন-ডাই-অক্সাইড নিঃসরণ করছি অথবা কি পরিমাণ কার্বন-ডাই-অক্সাইড বায়ু মন্তল থেকে অপরাসরণ করছি তার পরিমাণ নির্ধারণ করতে সক্ষম। এখন আমাদের বলার সক্ষমতা হয়েছে জলবায়ু পরিবর্তন প্রশমনে আমাদের অবদান কি হতে পারে। এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্জন।”

 

কর্মশালায় বিশেষ অতিথি ড. সুলতান আহমেদ, অতিরিক্ত সচিব, পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয় এবং মহাপরিচালক, পরিবেশ অধিদপ্তর বলেন  “ কার্বন নিঃসরণ ও অপসারণের পরিমাণ নির্ণয়ের মাপকাঠি তৈরীর মধ্যে দিয়ে বন অধিদপ্তর এক টার্নিং পয়েন্ট অর্জন করেছে।”

 

কর্মশালায় আরো উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন দাতা সংস্থা, এনজিও, ও গবেষণা সংস্থার প্রতিনিধিগণ।


Share with :